অবশেষে বাধা কাটল, ১১৮ বিধায়কের সমর্থন পেলেন থালাপতি বিজয়

এর আগে গত বুধবার (৬ মে) ও বৃহস্পতিবারও (৭ মে) গভর্নরের সঙ্গে বিজয়ের বৈঠক হয়েছিল। তবে দুইবারই গভর্নর আর্লেকার বিজয়ের সরকার গঠনের দাবি নাকচ করে দেন। তার যুক্তি ছিল, বিধানসভায় প্রয়োজনীয় সমর্থন এখনো দেখাতে পারেননি টিভিকে নেতা।
 
আরও পড়ুন: বিধানসভা ভাঙলেও সামাজিক মাধ্যমে এখনো পশ্চিমবঙ্গের ‘মুখ্যমন্ত্রী’ মমতা!
 
এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম চমক দেখিয়ে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি জিতে নেয়। নির্বাচনে প্রথমবার অংশ নিয়েই দলটি দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে) ও এবং অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাগাম (এআইএডিএমকে)–এর ৬২ বছরের রাজনৈতিক আধিপত্য ভেঙে দেয়।
 
তবে টিভিকে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় আসনের চেয়ে ১০টি কম পায়। গত বৃহস্পতিবারের বৈঠকে গভর্নর আর্লেকার বিজয়কে একাধিক প্রশ্ন করেন। এর মধ্যে ছিল, ‘মাত্র ১১৩ জন বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?’ এবং ‘আর কোন দলগুলো আপনাকে সমর্থন দেবে?’
 
বিজয় যে জবাব দেন তা গভর্নরকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। টিভিকের অল্পের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানটান নাটকীয়তা।
 
আরও পড়ুন: ডিএমকে ও এআইএডিএমকে সরকার গঠনের চেষ্টা করলে টিভিকে’র ১০৮ বিধায়কই পদত্যাগ করবেন
 
বিজয়ের দল দ্রুতই কংগ্রেসের ৫টি আসনের সমর্থন নিশ্চিত করে। তবে শর্ত ছিল, তামিল দলটি যেন ‘সাম্প্রদায়িক শক্তির’ সঙ্গে জোট না করে। যার ইঙ্গিত স্পষ্ট ছিল আর তা হলো নরেন্দ্র মোদির ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। কিন্তু মূল নাটক শুরু হয় ভিসিকে এবং দুই বাম দলের সমর্থন ঘিরে। কারণ নির্বাচনের আগে এই তিন দলই ডিএমকের জোটসঙ্গী ছিল। 

এ ধরণের আরো কিছু খবর

BN