এদিকে, ‘ইউরোপে, বিশেষ করে জার্মানিতে, মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্র ও আমাদের উভয়ের স্বার্থ রক্ষা করে।’ শনিবার সিএনএন-কে দেয়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলেছেন পিস্টোরিয়াস।
পিস্টোরিয়াস ইউরোপের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্য আরও বেশি দায়িত্ব নেয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন এবং বলেছেন যে এই বিষয়ে জার্মানি সঠিক পথেই রয়েছে।
এর আগে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ বলেছিলেন, ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমানিত’ করছে। তার পরপরই এই সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সেনা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দেন।
এরপর ট্রাম্প বলেন, ইরান বিষয়ে তার জার্মান প্রতিপক্ষ কী বলছেন তা তিনি নিজেই জানেন না এবং পরের দিন ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য সেনা হ্রাসের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে ও পর্যালোচনা করছে।ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদ থেকেই জার্মানিতে সামরিক উপস্থিতি কমানোর আহ্বান জানিয়ে আসছিলেন এবং ইউরোপকে নিজেদের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিতে বারবার অনুরোধ করেছেন। তবে, এই সপ্তাহের শুরুতে জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জের সঙ্গে বিতর্কের পর তিনি এই হুমকি আরও বাড়িয়ে দেন।
