An artificially created country is not Bangladesh

ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর বলেছেন, বাংলাদেশ কৃত্রিমভাবে তৈরি কোনো রাষ্ট্র নয়। ভাষার শক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি সভ্যতাগত রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ই সভ্যতাগত রাষ্ট্র।

গতকাল রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এ বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে সাময়িক ঝড় বা মেঘ এলেও দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধন মুছে যাবে না। দুই দেশের সম্পর্কে উত্থান-পতন থাকবেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যেসব প্রশ্ন ও সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর সমাধানে শুধু ‘কী সম্ভব’ এ প্রশ্ন করলেই হবে না; বরং ‘কেন এটি অসম্ভব’ এ প্রশ্নও করতে হবে। এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি নতুন সম্ভাবনার পথ খুলে দিতে পারে। সার্বভৌমত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতের সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান না থাকলে বিশ্ব ক্রমেই আরও বিশৃঙ্খলার দিকে এগিয়ে যেতে পারে। বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধ ও সংঘাত প্রসঙ্গে এম জে আকবর বলেন, কোনো যুদ্ধকে অবৈধ বলার আগে তার উৎস ও পটভূমি খুঁজে দেখা জরুরি। বিংশ শতাব্দীকে তিনি তিনটি বিশ্বযুদ্ধের শতাব্দী হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ঠান্ডা যুদ্ধকেও এক ধরনের বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ইউরোপে ঠান্ডা যুদ্ধ হলেও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকায় এর প্রভাব মোটেও ঠান্ডা ছিল না। বিশ্ব নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে পরাশক্তি ও সাম্রাজ্যগুলোর সংঘাতের কারণেই এসব সংঘাতকে বিশ্বযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে দেখা হয়। একবিংশ শতাব্দীর যুদ্ধের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে উল্লেখ করে এম জে আকবর বলেন, বর্তমান সংঘাতকে একটি একক বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে দেখা যায় না। বরং এটি বিশ্বব্যাপী চলমান ধারাবাহিক সংঘাত। এসব সংঘাত পর্যায়ক্রমে সংঘটিত হলেও পুরোপুরি থেমে যায় না। উল্লেখ্য, সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনে শতাধিক দেশের প্রায় ২০০ জন বক্তা, ৩০০ জন প্রতিনিধি এবং ১ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দিয়েছেন। এতে সাবেক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, কূটনীতিক, গবেষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি, উদ্ভাবক ও তরুণ নেতৃত্ব অংশ নিচ্ছেন। তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক সম্মেলন আজ সোমবার শেষ হবে।

Some more such news

  • Representatives of the small ethnicity want constitutional recognition

  • The fastest goal record is

  • CCT is now going to foreign operators

EN