The Parliamentary Committee of India urged to speed up visa activities for Bangladeshis to speed up the process.

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ বিষয়ে সংসদীয় কমিটির নবম প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসংবলিত প্রতিবেদনে এ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পারস্পরিক আস্থা ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরিস্থিতি অনুকূলে এলেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে বাংলাদেশে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ ভিসা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিতে হবে।

এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপক্ষীয় কনস্যুলার সহযোগিতা ব্যবস্থা গড়ে তোলারও সুপারিশ করেছে কমিটি। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ভিসানীতি পর্যালোচনা, আবেদনকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং বৈধ ভ্রমণকারীরা যেন অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটিকে জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে দেশটিতে ভিসা কার্যক্রম উল্লেখযোগ্যভাবে সীমিত করা হয় এবং কনস্যুলার কর্মীদেরও প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

বর্তমানে বাংলাদেশের পাঁচটি ভিসা কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই চিকিৎসা-সংক্রান্ত ভিসা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলে প্রতিদিন ভিসা ইস্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত ভিসা কেন্দ্র চালুর বিষয়ে ভারতের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রতিবেদনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত অবস্থানের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, মানবিক বিবেচনায় তাকে আশ্রয় দেওয়া হলেও ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তাকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকার পাঠানো অনুরোধ ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

প্রত্যর্পণের অনুরোধের বিষয়টি উল্লেখ করে সংসদীয় কমিটি বলেছে, এ বিষয়ে ভারত সরকার যেন মানবিক নীতি, আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা ও প্রচলিত আইন অনুসরণ করে সংবেদনশীলতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

Some more such news

EN