চামড়াশিল্পকে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের খাতে গড়ে তোলা হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

চামড়াশিল্পকে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়কারী খাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের চামড়া খাতের বিদ্যমান দুর্বলতাগুলো ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এই শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একাধিকবার ফলপ্রসূ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে

শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে সিলেট নগরীর রিকাবীবাজারস্থ মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়াম হলে আয়োজিত বিভাগীয় পর্যায়ের ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ২০২৬ এর উদ্বোধনী মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিক, সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম এবং সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে শেষে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে এই খাতটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের জানান দেবে।’

সরকারের সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের বয়স মাত্র আড়াই মাস এবং এই স্বল্প সময়ের মধ্যে বড় কোনো আমূল পরিবর্তন সম্ভব না হলেও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের কাজ পুরোদমে চলছে।

তিনি চামড়া শিল্পের উন্নয়নে জনসাধারণের কাছে কিছুটা সময় প্রার্থনা করেন এবং পর্যায়ক্রমে এই খাতের উন্নতির প্রতিফলন দৃশ্যমান হবে বলে আশ্বস্ত করেন।

শিল্প রক্ষায় জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘চামড়া দেশের একটি অমূল্য সম্পদ এবং এটি যেন কোনোভাবেই অপচয় বা নষ্ট না হয় সেদিকে আমাদের সবার সজাগ দৃষ্টি রাখা প্রয়োজন।’

সম্পদ সংরক্ষণে প্রত্যেকের নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সম্পদের সীমাবদ্ধতার মাঝে কোনো ধরনের অপচয় কাম্য নয়।’

বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানা পুনরায় চালু করার বিষয়েও তিনি বলেন, ‘দেশের শিল্পখাতে বিশেষ করে বন্ধ কলকারখানাগুলোতে বিনিয়োগের ব্যাপারে চীন সরকার ও বিনিয়োগকারীরা গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।বর্তমান সরকার এই শিল্পগুলোকে একটি সুশৃঙ্খল পর্যায়ে নিয়ে আসার কাজ করছে এবং খুব শিগগিরই কাজের অগ্রগতি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।’

 

কলকারখানাগুলো পুনরায় সচল করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে তিনি এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো ঘুরে দেখেন। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সৃজনশীল চিন্তাধারা ও নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনা করে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করেন।

এ ধরণের আরো কিছু খবর

  • সালাফের চোখে জমজমের পানি

  • মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব ফেনীর সেই ইমাম এখন মানসিক হাসপাতালে ভর্তি

  • অপরিণামদর্শী হকার পুনর্বাসন সমস্যাকে আরো বাড়াতে পারে : আইপিডি

BN