রাজশাহী ব্যুরোঃ গত ২১ সালের ১৮ জুন রাতে রাজশাহীর হেতেমখাঁ লিচুবাগান মহল্লায় রকি কুমার ঘোষের নেতৃত্বে মসজিদে হামলা হয়েছে এমন গুজব ছড়িয়ে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টায় লিপ্ত ছিল একটি কুচক্রি মহল। সেই গুজবটিকে সামাল দিতে শুধু প্রশাসনই হিমশিম খায়নি, হিমশিম খেয়েছে রাজনীতিবিদরাও। এরপর সঠিক তথ্য ও উদ্দেশ্য বের করার জন্য একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। তবে এর পাশাপাশি তথ্য অনুসন্ধানে থেমে থাকেনি মিডিয়া কর্মীরা।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ জানুয়ারি ২২ (শুক্রবার) সেই আলোচিত মসজিদেই জুম্মার নামাজের খুৎবা’র আগে রকি কুমার ঘোষ নির্দোষ উল্লেখ করে বর্ণনা করেছেন সেদিনের এক পক্ষকে নেতৃত্ব দেয়া নেতা (১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক) জাকির হোসেন শাওন। এছাড়াও শাওন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন সেদিনের ঘটনাটি ছোটদের ইস্যুকে কেন্দ্র করে হয়েছিল। তাই সকল অভিভাবকদের প্রতি আবেদন সবাই আপনাদের সন্তানদের শাসন করবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাজশাহী মহানগর শাখার আইন বিষয়ক সম্পাদক এড্যভোকেট মুসাব্বির হোসেন, বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের (পশ্চিম) সভাপতি আব্দুস সালাম, ১১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজাহার আলী, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জানে আলম জনি, রাব্বুল, বাপন সহ শতাধিক নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও এলাকার সাধারণ মুসল্লীগণ উপস্থিত ছিলেন।
অবশেষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সম্মানিত মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন এর উদ্যোগে সেদিনের অনাকাঙ্খিত ঘটনার সমাধান ও সত্যতা প্রকাশ পাওয়ায় আনন্দিত ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন পুরো রাজশাহীবাসী। আগামী রাজশাহীর রাজনীতিতে খায়রুজ্জামান লিটনের নির্দেশনায় রকি কুমার ঘোষ রাজপথের সৈনিক হয়ে কাজ করবে এমনটায় প্রত্যাশা পুরো ছাত্র ও যুব সমাজের।
এর আগে গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল। পরে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও অন্যান্য সরকারি ছুটির কারণে গত ১৫ মার্চ সংসদের বৈঠক মূলতবি করা হয়।
জাতীয় সংসদের চিফ হু...
বিএনপির সভাপতি নাজমুল ইসলাম মিঠুর চরমোহনা গ্রামের বাড়িতে এক শালিস বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এ সময় মিঠুসহ ১০নম্বর রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদকসহ উভয়পক্ষের লোক উপস্থিত ছিলেন।
...